সে ফিরে আসে
ভূমি সেনগুপ্ত
একটা কোলাহল শোনা গেল বাইরে। দ্বিজেন্দ্র ইজিচেয়ার থেকে উঠতে গিয়েও উঠতে পারলেন না। কোমরের ব্যথাটা আবার বেড়েছে। তার উপর দীর্ঘদিন ধরে তাঁর রাত কাটে কাকনিদ্রায়। প্রায়শই সারা বাড়িতে গোটা রাত্রি জুড়ে ভূতের মত তিনি ঘুরে ঘুরে বেড়ান। সকলে ঘুমে নিমগ্ন অথচ তাঁর চোখে কোন কোন রাতে ঘুমের লেশ মাত্র থাকে না। পুরো রায়বাড়ি জুড়ে কেউ কেউ যেন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে, নিদারুণ যন্ত্রণায় আর্তনাদ করে। অথচ দ্বিজেন্দ্র কাউকে দেখতে পান না। বহুবার কাজের লোকেদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে জিজ্ঞাসা করে দেখেছেন কিন্তু কোন সদুত্তর পায়নি। উল্টে তারা নিজেদের মধ্যে মুখ চাওয়া চাওয়ি করেছে। বস্তুত সারা দিন ধরে খাটুনির পর তারা রাতে মড়ার মতো ঘুমায়। শুধু দ্বিজেন্দ্রর কানে সব ভেসে আসে। কিন্তু ওই কোলাহলের পর আর অলসতা করা চলে না। দ্বিজেন্দ্র খাস ভৃত্য মহিমকে হুকুম করলেন, “বাইরে এত গণ্ডগোল কিসের? দেখে এস তো।”






